খুব সকালে ঘুম থেকে উঠে একটু বাইরে গিয়ে প্রকৃতির হাওয়া খেয়ে আসবেন বলে মনস্থির করেছিলেন, উঠে দেখলেন আটটা বেজে গেছে। তাই বাধ্য হয়ে বিছানায় বসেই হাত-পা দুটো এপাশ ওপাশ করলেন।
টয়লেটে যাবেন, কিন্তু ভেতরে যে একজন ঢুকেছে তার আর বের হবার নাম নেই।
নাস্তা রেডি হয়নি, কারন বুয়া শরীর খারাপ বলে আসেনি। অগ্যতা এক গ্লাস পানি খেয়ে বের হলোন।
কর্মস্থলে ঢুকে মেজাজ খারাপ।অফিসের বেয়ারার হাতে টাকা দিয়ে নাস্তা আনতে বলেছেন। ইতিমধ্যে পৌনে একঘন্টা পার হয়ে গেছে। এদিকে কাজেও মন বসছে না।

প্রতিদিনের মতো অফিস থেকে বের আবার সেই অসহনীয় যানজটের মধ্যে আটকা পড়লেন।আপনি নির্বিকার! বাস ভাড়া দিতে আপনার মনে নেই। (সম্ভবত বাস ভাড়া আপনি ইচ্ছে করে দেননি)

বাসায় পৌছে আপনার খেয়াল হল, আজ ডাক্তারের কাছে যাওয়ার কথা। আপনি আবার ছুটলেন। সিরিয়াল পেলেন সবার শেষে......
বাসায় ফিরলেন, তখন ঘড়ির কাঁটা ১২ ঘরে ছুই ছুই করছে। বিছানা আপনাকে ডাকছে। ভিতরের সমস্ত অনুভূতি ঘুমের ভিতর মিশে যেতে যাচ্ছে.....ঘিরে ধরছে অদ্ভুত শূন্যতা, যেখানে দুঃখ, যণ্ত্রণা কিংবা ক্ষুধার কোন অনুভূতি নেই। দুচোখের পাতা বন্ধ হয়ে আবার খুলে যাচ্ছে কল্পলোকের জগতে....।
1 টি মন্তব্য:
এভাবে জীবনের কোন সৌন্দর্য পাওয়া যায় না।
ভাবুন একটা কচ্ছপ ৩০০ বছর বাঁচে আর মানুষ..........
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন